সুদানে নিহত ৬ শান্তিরক্ষীর মরদেহ দেশে, রোববার জানাজা ও দাফন
সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সন্ত্রাসীদের ড্রোন হামলায় নিহত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর মরদেহ আজ শুক্রবার দেশে পৌঁছেছে। এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে মরদেহগুলো হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনা হয়।আজ আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।বিমানবন্দরে নিহত সেনাসদস্যদের মরদেহ গ্রহণ করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম। এ সময় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান, বাংলাদেশে নিযুক্ত জা...
সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সন্ত্রাসীদের ড্রোন হামলায় নিহত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর মরদেহ আজ শুক্রবার দেশে পৌঁছেছে। এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে মরদেহগুলো হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনা হয়।
আজ আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিমানবন্দরে নিহত সেনাসদস্যদের মরদেহ গ্রহণ করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম। এ সময় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান, বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক প্রতিনিধি, সুদানের আবিয়েতে জাতিসংঘ মিশনের প্রতিনিধি, ইউনিসফার ফোর্স কমান্ডারসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আইএসপিআর জানায়, শহীদ শান্তিরক্ষীদের সম্মানে বিমানবন্দরে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং সামরিক অভিবাদন জানানো হয়। আগামীকাল রোববার ঢাকা সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় মসজিদে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর হেলিকপ্টারে করে মরদেহ নিজ নিজ বাড়িতে পাঠানো হবে। সেখানে পূর্ণ সামরিক মর্যাদায় তাদের দাফন করা হবে।
ড্রোন হামলায় নিহত ছয়জন ছাড়াও আরও ৯ জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী আহত হন। আইএসপিআর জানায়, আহতদের মধ্যে আটজন কেনিয়ার নাইরোবিতে আগা খান ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে (লেভেল-৩ হাসপাতাল) চিকিৎসাধীন। তাদের সবার অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গেছে।
এর আগে আইএসপিআর জানিয়েছিল, গত ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবিয়ে এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের কাদুগলি লজিস্টিকস বেসে একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী ড্রোন হামলা চালায়। এতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ছয় শান্তিরক্ষী নিহত এবং ৯ জন আহত হন।